rongginnbd
Saturday, February 24, 2018
নবজাতকের মৃত্যু রোধে কারিনার পরামর্শ
রঙিন ডেস্ক:
২০১৬ সালে বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের কোল জুড়ে এসেছে ছেলে তৈমুর আলী খান পাতৌদি। ফলে মা হিসেবে গত এক বছরে অভিজ্ঞতার ঝুলিটা একটু হলেও ভারি হয়েছে কারিনা। ছেলের জন্মের পর থেকেই তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সবকিছুই করছেন বাবা সাইফ আলী খান ও মা কারিনা কাপুর। তাইতো নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই নবজাতকের মৃত্যু রোধ করতে নতুন মায়েদের তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন কারিনা।
ডিএনএ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউনিসেফের অ্যাডভোকেট হিসেবে ‘এভরি চাইল্ড অ্যালাইভ’ প্রচার অভিযানে অংশ নেন তিনি। সেখানে নতুন মায়েদের উদ্দেশে কথা বলেন কারিনা।
কারিনা বলেন, প্রতিবছর আমাদের বিশ্বে লাখ লাখ নবজাতকের মৃত্যু হয়। এটা আমাকে বিস্মিত করেছে। তবে এই মৃত্যুগুলো রোধ করা সম্ভব। আর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে ইউনিসেফ চালু করেছে এভরি চাইল্ড অ্যালাইভ প্রচারণা।
মা কারিনার কোলে তৈমুর। ছবি- সংগৃহীত
ইউনিসেফের তথ্য উল্লেখ করে কারিনা আরো বলেন, অন্যান্য জায়গার তুলনায় দক্ষিণ এশিয়া শিশু মৃত্যুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে প্রতিদিন দুই হাজার ৮০০ শিশু এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যায়। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি ৩৬ শিশুর মধ্যে একজন শিশু মারা যায়।
তাই সতর্ক থাকতে নতুন মায়েদের উদ্দেশে তার পরামর্শে কারিনা বলেন, ‘প্রথমত, আমাদের বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এটাই তাঁর জীবনের সেরা শুরু হবে এবং এটাই তাঁর জন্য জরুরি। জন্মের প্রথম ঘণ্টা থেকেই তা শুরু করলে ভালো হয়। শুধু বুকের দুধই খাওয়ানো উচিত, আর কিছু নয়। দ্বিতীয়ত, আমাদের কুসংস্কারে বিশ্বাস করলে চলবে না। এটা আমাদের শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। জন্মের সময় যেন আমাদের চারপাশে দক্ষ চিকিৎসক থাকেন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এটা আমাদের অধিকার। কোনো নারীরই উচিত নয় দক্ষ চিকিৎসক ছাড়া সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি নেওয়া। তৃতীয়ত, মেয়েশিশুদেরও ছেলেশিশুর মতো দেখাশোনা করা উচিত। এটা খুবই দুঃখজনক যে মেয়েশিশুরা ছেলেদের মতো অতটা যত্ন পায় না। যদি আপনার মেয়েশিশু অসুস্থ হয়, তাহলে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান, যেমনটা আপনি ছেলেশিশুর বেলায় করতেন।’
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment