Wednesday, March 7, 2018

ধর্ষিতা নারী মেহজাবীন!

নাটকটির গল্পে দেখা যাবে, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেনি অনামিকা। তার আগেই অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় থমকে যায় অনামিকার জীবন। বিয়ের সানাইয়ের সুর নয়, প্রবল হতাশা আর আত্মহননের সুর তাকে গ্রাস করে। তারপর বিপুল আত্মপ্রত্যয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় অনামিকা। একসময়ের সহপাঠী বীথি আপা তার প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ঘটনাচক্রে পরিচয় হয় বীথির পূর্বপরিচিত তূর্যর সঙ্গে। ধূসর অতীতকে পেছনে ফেলে আলোকিত ভবিষ্যতের পথে অনামিকার সঙ্গী হতে চায় তূর্য। কিন্তু অনামিকার জীবনে ঘটে যাওয়া সেই অনাকাঙ্ক্ষিত অঘটনের কথা জানার পরে তূর্য কি অনামিকার পাশে থাকবে?

পরিচালক তৌফিক এলাহী সকল ধর্ষিতা নারীকে উৎসর্গ করে নাটকটি নির্মাণ করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় দেখা যায় ধর্ষণের শিকার মফস্বল শহরের সাধারণ মেয়েরা লজ্জায় ও অপমানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। ধর্ষণ একটি নারী নির্যাতন এবং নির্যাতনকারীদের বিচারের জন্য কঠোর আইন আছে। আত্মহত্যায় অনুৎসাহিত করে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের লক্ষ্যেই নাটকটি মূলত নির্মাণ করেছি।’


No comments:

Post a Comment