rongginnbd
Friday, October 27, 2017
বাসি রুটি নিয়ন্ত্রণ করবে ডায়াবেটিস
রঙিন ডেস্ক:
খাবার একটু বেচে গেলেই আমরা ফ্রিজে ডুকিয়ে দিই। পরে আবার সেটা গরম করে খাই। তার মধ্যে তরকারি অন্যতম। অনেক সময় কাজের চাপে রুটি আগেই বানিয়ে রাখতে হয়। বেশ কিছু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ফ্রিজে রেখে বাসি খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। তবে বাসি রুটি খেলে ক্ষতি হয়ই না, উল্টে নানা উপকার। গবেষণায় দেখা গেছে বাসি রুটি নিয়মিত খেলে বেশ কিছু মৃত্যঝুঁকি একেবারে ভালো হয়ে য়ায়। যেমন, যেমন ডায়াবেটিকস। গবেষণা বলছে বাসি রুটির মধ্যে এমন কিছু উপাদান তৈরি হয়ে যায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাসি রুটির আরও অনেক গুণ রয়েছে-
১. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়
একাধিক কেস স্টাডি অনুসারে রুটির মধ্যে থাকা ফাইবার, সময় যত এগতে থাকে, তত শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। তাই তো বাসি রুটি দুধ দিয়ে খেলে হজম ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যাও কমে যায়। তাই এবার থেকে রাতের বেলা রুটি থেকে গেলে আর ফেলে দেবেন না। বরং সকালের নাস্তায় দুধ দিয়ে খেয়ে নেবেন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে।
২. রক্তচাপ কবজায় চলে আসবে
ঠান্ডা দুধ দিয়ে বাসি রুটি খেলে শরীরের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন হয়, যার প্রভাবে দেহে সোডিয়াম বা লবণের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও দুধ-রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে!
৩. ডায়াবেটিস রোগকে দূরে রাখে
এক্ষেত্রে বাসি রুটি এবং ঠান্ডা দুধ কিভাবে নিজের খেল দেখায়, তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে জানা না গেলেও এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে ব্লাড সুগারকে কন্ট্রোলে রাখলে বাসি রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই আপনার পরিবারে যদি এই মরণ রোগের ইতিহাস থাকে, তাহলে বাসি রুটি খেতে আর নাক শিঁটকাবেন না যেন!
৪. এনার্জির ঘাটতি দূর করে
সকাল সকাল মিটিং আছে? হাতে সময় নেই সকালের নাস্তা করার? চিন্তা না করে আগের দিনের রুটি আর এক গ্লাস দুধ ঝটপট খেয়ে বেরিয়ে পরুন। এমনটা করলে পেটটাও খালি থাকবে না। উল্টে এনার্জির ঘাটতিও দূর হবে। ফলে কাজে মন তো বসবেই, সেই সঙ্গে শরীরও চনমনে হয়ে উঠবে।
৫. ওজন কমায়
চটজলদি অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে বাসি রুটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। কারণ এতে উপস্থিত ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে শুরু করে। আর যেমনটা সবারই জানা আছে যে কম খেলে, ওজন বাড়ার আশঙ্কাও কমে। সেই সঙ্গে দেহে পুষ্টির ঘাটতিও দূর হয়। তাই যারা বাড়ির বাইরে থাকেন, তারা চাইলে সকাল সকাল রুটি এবং দুধ খেয়ে নিতে পারেন।
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment