rongginnbd
Saturday, November 25, 2017
তৃপ্ত অনুভূতিতে আছেন মাহমুদুল্লাহ
রঙিন ডেস্ক :
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) এক হাজার রান করা ক্রিকেটারের তালিকায় আছেন সাতজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। এই সাতজনের মধ্যে পাঁচজনই কোন না কোন দলের আইকন। আর তাদের মধ্যে মুশফিককে ছাড়িয়ে এখন শীর্ষে আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আদ বিপিএলের নিজের ধারাবাহিক পারফর্মেন্সে খানিকটা তৃপ্ত অনুভূতিতে আছেন মাহমুদুল্লাহ।
শীর্ষে থাকা মাহুমুদুল্লাহর রান এখন ১৩৩৬। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মুশফিকের রান ১২৯২। এছাড়া ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল আছেন তৃতীয় স্থানে। তার রান সংখ্যা ১০৬৯। চতুর্থ স্থানে থাকা সাকিব আল হাসানের রান ১০৫৮। সাকিবের থেকে ৭ রান কম নিয়ে পাঁচ নম্বরে আছেন কায়েস (১০৫১)।
কায়েসের থেকে ৮ রান কম নিয়ে ৬ নম্বরে আছে সাব্বির (১০৪৩)। আর তালিকায় সাত নম্বর হিসেবে আছেন নাসির। তার রান ১০১৮।
তবে এবারের আসরে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে রংপুর রাইডার্সের ইংলিশ ক্রিকেটার রবি বোপারা। চলতি বিপিএলে তাঁর ব্যাটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের উজ্জ্বল দীপ্তি। ৭ ম্যাচ খেলা বোপারাই যে এখন এই আসরের শীর্ষ রান সংগ্রাহক। তার নামের পাশে ২৭৮ রান। আবার ব্যাটিং গড়ের (৬৯.৫০) শীর্ষেও তিনিই।
অবশ্য রংপুর রাইডার্স-খুলনা টাইটানস ম্যাচের একটা সময় পর্যন্ত ব্যাটিংয়ের শীর্ষ নামটি কিন্তু ছিল মাহমুদ উল্লাহরই। রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ঠিক আগের ম্যাচেই ৫৬ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে রেখেছিলেন বিশাল ভূমিকা। রংপুরের বিপক্ষে পাওয়া তার টানা দ্বিতীয় ফিফটি তাঁকে কয়েক ঘণ্টার জন্য রাখে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকার এক নম্বরেও। ৭ ম্যাচে ৪১.৩৩ গড়ে ২৪৮ রান তার। স্ট্রাইক রেটও (১৩২.৬২) বোপারার (১২৩) চেয়ে বেশি ছিলো।
নিশ্চিত যে এই আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের ব্যাটনটা আরো বেশ কয়েকবার অদল-বদল হবে। তাতে মাহমুদ উল্লাহ কতটা এগোবেন বা পেছাবেন, তা জানতে অপেক্ষায় থাকতেই হচ্ছে।
খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক ৫৮ ম্যাচে ২৯.০৪ গড়ে ১৩৩৬ রান করা মাহমুদ উল্লাহর আনন্দকে বাড়তি মাত্রা দিয়েছে রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচসেরার স্বীকৃতিও। যদিও তিনি নিজে দলের জন্য অবদান রাখতে পারার ব্যাপারটিকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘দলের জন্য অবদান রাখতে পারছি, এটাই সবচেয়ে বড় কথা। ’
আর বিবেচ্য যদি হয় বিপিএলের গত আসরের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা, তাহলে এখানেও সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নামটি মাহমুদ উল্লাহরই। গতবার খুলনা চূড়ান্ত সাফল্য না পেলেও ব্যাটে-বলে তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দলকে যেমন সেরা চারে রেখেছিল, তেমনি নিজেও ভেসেছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় হওয়ার স্বীকৃতির আনন্দে। ১৪ ম্যাচে ৩৩ গড়ে করেছিলেন তামিম ইকবালের (৪৭৬) পর টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯৬ রান। সেই সঙ্গে বল হাতে অফস্পিনেও একাধিক ম্যাচে জয়-ভাগ্য নির্ধারণ করা মাহমুদ উল্লাহ নিয়েছিলেন ১০ উইকেট।
এই আসরেও গত বিপিএলের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা। যে ধারাবাহিকতায় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে গতবার ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়াও।
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment