Thursday, December 7, 2017

কিছু ভালো জিনিসও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর!

রঙিন ডেস্ক : শরীর সুস্থ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। প্রচুর পরিমাণে পান থেকে শুরু করে নিয়মিত ব্যায়াম। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাদ দেই না ভিটামিন সেবনেও। এগুলো সবই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু আপনি জানেন কী, কখনও কখনও এই ভালো জিনিসগুলোই স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এক্ষেত্রে গবেষকরা বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যে কোন কাজ পরিমিত পরিমাণে করাই ভালো। নতুবা বিপদের আশঙ্কা।
এবার জেনে নিন কোন কাজগুলো ভালো হলেও কখনও কখনও তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর-
প্রচুর পরিমাণে পানি পান
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে কিডনির নানা রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একইসঙ্গে হজমশক্তি, মেজাজ এবং ত্বক ভালো রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আপনি জানেন কী, অতিরিক্ত পানি পানে ক্ষতিও হয়। অতিরিক্ত পানি পানে অধিক জলয়োজন হতে পারে। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলে শরীরের স্বাভাবিক ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যেও প্রভাব পড়ে এবং জলয়োজনের মাত্রাটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
প্যাকেটজাত বোতলের পানি
বোতলের পানি কখনই স্বাস্থ্যকর হতে পারে না। এটি যদি প্যাকেটজাতও হয়ে থাকে তাহলেও কিন্তু আপনি জানেন না, এই পানি আসলে কোন জায়গা থেকে আসছে। আবার এই পানিগুলোতে কোন কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে কিনা? পরে এই পানি পানে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা বিশেষ করে ক্যান্সার, স্থূলতা প্রভৃতি সমস্যা হতে পারে। কাজেই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্যাকেটজাত হলেও প্লাটিকের বোতলের পানি এড়িয়ে চলুন।
ভিটামিন
ভিটামিন শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু উচ্চ মাত্রার ভিটামিন বিশেষ করে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, বিটামিন বি৬ সেবন বৃদ্ধ নারীদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ই পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করা খারাপ। সবচেয়ে ভালো হয়, আপনি যদি ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি খান।
কম চর্বিযুক্ত খাবার
সাধারণত ওজন কমাতে আমরা সবার আগে কম চর্বিযুক্ত খাবার বেছে নেই। এতে অনেক সময় আমরা ডায়েট থেকে ভালো চর্বি বিশেষ করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বাদ দেই, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শুধু ত্বক নমণীয় এবং বলিরেখা মুক্ত রাখতেই সাহায্য করে না, একইসঙ্গে মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে এবং বাতের ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়।
খাবার পরপরই দাঁত ব্রাশপ্রতিবার খাবার পরপরই দাঁত ব্রাশ করা কখনই উচিত নয়। কারণ সাইট্রাস খাবার কিংবা ড্রিংস পানের পর এর অ্যাসিড আমাদের দাঁতের উপর প্রভাব ফেলে যার ফলে মাড়ি নরম হয়ে যায়। কতাই খাওয়ার পরপরই দাঁত ব্রাশ করলে তা ওই অ্যাসিডের উপর প্রভাব ফেলে। এতে দাঁতের মাড়ির নিচের স্তরে ক্ষয় হতে পারে। তাই খাওয়ার পরপরই দাঁত ব্রাশ না করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।


No comments:

Post a Comment