Friday, March 30, 2018

সন্ধ্যায় ঢাবি নাটমণ্ডলে ‘নীল দংশন’

নজরুল কবিতা লিখতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে পাকিস্তানিদের পক্ষে মুচলেকা দিয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কবি নজরুলের আরোপিত পরিচয়ের মিথ্যা ভার বহন করতে করতে সামান্য কর্মচারী নজরুল আত্মসত্তার এক রূপান্তর অনুভব করে। তাই কবি নজরুল হিসেবে মুচলেকায় আর স্বাক্ষর করেন না। তদুপরি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি কবিতা লেখার প্রস্তাবও অস্বীকার করেন। কারণ ততক্ষণে সামান্য নজরুলের পরানের গহীনে একটি অসামান্য কবিতা লেখা হয়ে গেছে – দেশাত্ববোধক আবাগের নীল দংশনে রচিত সেই কবিতার নাম বাংলাদেশ।’


No comments:

Post a Comment