rongginnbd
Wednesday, April 18, 2018
সুস্থ থাকতে পান করুন গ্রীন টি
রঙিন ডেস্ক : সুস্থ এবং চনমনা থাকতে প্রতিদিন গ্রীন টি খাওয়ার অভ্যাস করুন। গ্রিন টি-তে রয়েছে ফ্লেভোনয়েড নামক একটি উপাদান, যা আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি এমন একটি শক্তিশালী উপাদান যা সব দিক থেকে শরীরকে চাঙ্গা রাখে।
শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগ থেকে মুক্ত রাখতেও এই পানীয়টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই তো আজকাল গ্রিন টির এত জনপ্রিয়তা।
প্রসঙ্গত, কেটেচিন নামেও একটি উপদান থাকে এই চায়ে, যা ভিটামিন ই এবং সি-এর থেকেও বেশি শক্তিশালী, যা শরীরে প্রবেশ করে একাধিক উপকারে লেগে থাকে।
১. ওজন কমায়: এই চায়ে এমন কিছু উপাদান আছে যা হজম প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, গ্রিন টিয়ে উপস্থিত কেটাচিন পেটের মেদ ঝরাতে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে নিয়মিত গ্রিন পান করতে ভুলবেন না যেন!
২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: প্রতিদিন সকালে গ্রিন টি পান করলে শরীরের স্টেমিনা তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই তো পুরো দিন ধরে শরীর চনমনে থাকে। ফলে কর্মক্ষমতা চোখে পরার মতো বাড়ে। প্রসঙ্গত, সারা দিন ধরে যদি কয়েকবার এই চা পান করা যায়, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: যারা অ্যালার্জিতে খুব ভোগেন তাদের তো এই চা নিয়মিত পান করা উচিত। কারণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গ্রিন টির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। আর একথা তো সবারই জানা যে একবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটলে অ্যালার্জির মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
৪. ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায়: গ্রিন টিতে উপস্থিত ইজিসিজ নাম উপাদানটি ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, ক্যান্সার রোগকে যদি দূরে রাখতে হয়, তাহলে গ্রিন টির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই হবে।
৫. স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। সেই সঙ্গে অ্যালার্টনেসও বাড়াতেও এই পানীয়টি বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো সকাল-বিকাল এই চাটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
৬. হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে: প্রতিদিন গ্রিন খেলে হার্ট কিন্তু খুব ভালো থাকে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে উচ্চ রক্ত চাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৪৬-৬৫ শতাংশ কমে যায়।
সূত্র : হেলথ টিপস
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment