তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে
বিবেচনা করা হয়। মিষ্টি স্বাদের মোহনীয় গন্ধে ভরা তালের শ্বাসের প্রতি ১০০
গ্রাম রয়েছে ৮৭ কিলো ক্যালরি, ৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, জলীয় অংশ ৮৭.৬
গ্রাম, আমিষ .৮ গ্রাম, ফ্যাট .১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেটস ১০.৯ গ্রাম,
খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১
মিলিগ্রাম, থায়ামিন .০৪ গ্রাম, রিবোফাভিন .০২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন .৩
মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম। এসব উপাদান শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা
করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
গরমের দিনে তালের শাসে থাকা জলীয় অংশ পানি শূন্যতা দুর করে। এছাড়া
ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, বিকমপ্লেক্সসহ আরো অনেক ভিটামিন রয়েছে। তালে
থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগ ও
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। কচি তালের শাস রক্তশূন্যতা দুর
করে। চোখের দৃষ্টি শক্তি ও মুখের রুচি বাড়ায়।



No comments:
Post a Comment