Wednesday, April 11, 2018

ক্ষুধা ও তৃষ্ণা নিবারণে তালের শাঁস

রঙিন ডেস্ক : গ্রীষ্মের দিনগুলোতে তালের শাঁস খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। গরমের মধ্যে তৈলাক্ত খাবারের চেয়ে তালের শাঁস অনেক উপকারী। এর রয়েছে অনেক গুনাগুন। এ সময়টাতে দেশের যেকোনো জায়গায়ই পাওয়া যাবে তালের শাঁস। এতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে; যা তৃষ্ণা নিবারণও করে। শুধু তাই নয়, এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করে।
তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। মিষ্টি স্বাদের মোহনীয় গন্ধে ভরা তালের শ্বাসের প্রতি ১০০ গ্রাম রয়েছে ৮৭ কিলো ক্যালরি, ৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, জলীয় অংশ ৮৭.৬ গ্রাম, আমিষ .৮ গ্রাম, ফ্যাট .১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেটস ১০.৯ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন .০৪ গ্রাম, রিবোফাভিন .০২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন .৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম। এসব উপাদান শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
গরমের দিনে তালের শাসে থাকা জলীয় অংশ পানি শূন্যতা দুর করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, বিকমপ্লেক্সসহ আরো অনেক ভিটামিন রয়েছে। তালে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। কচি তালের শাস রক্তশূন্যতা দুর করে। চোখের দৃষ্টি শক্তি ও মুখের রুচি বাড়ায়।
গ্রীষ্মে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে তালের শাঁস। প্রচণ্ড গরমে তালের কচি শাঁস এবং এর ভেতরের মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে শরীরকে এনে দেয় আরামদায়ক অনুভূতি। তালের শাঁস শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্য নয়, ত্বকের জন্যও দারুন উপকারি। এ সময় তাপমাত্রার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ করতে সাহায্য করে এটি। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায় তা পূরণ করতে সাহায্য করে তালের শাঁস।




No comments:

Post a Comment