rongginnbd
Friday, December 15, 2017
ত্বক ভালো রাখতে খাবার
রঙিন ডেস্ক :
আমরা ত্বক সচেতন মানুষ ত্বকের বাহ্যিক যত্ন নিয়ে এতটাই চিন্তিত থাকি যে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কখনও ভেবে দেখি না। ত্বকের যত্নে উপটান, বিভিন্ন প্যাক বা প্রসাধনী নিঃসন্দেহে উপকারী। সোজাভাবে বলতে গেলে, আপনার পেট যদি ভাল না থাকে, খাদ্যাভ্যাস যদি থাকে অনিয়মিত ও অপরিকল্পিত, সেক্ষেত্রে প্রসাধনী বা উপটান আপনার কতটা উপকারে আসবে? চিন্তামুক্ত করতেই আমাদের আজকের বিষয় ত্বকের যত্নে সেরা ১০ খাবার-
মাছ খাচ্ছেন তো?
যদিও ত্বকের যত্নে মাছের কথা কেউ মনেই করেনা, কিন্তু মাছের ভেতরে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ওমেগা-৩ কে শরীরের ভাল কোলেস্টেরল হিসেবে ধরা হয় যা আমাদের ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচায়, ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়, কোষের অভ্যন্তরে তরল পদার্থের যাতায়াতের পথ স্বাভাবিক দেয়, ত্বকীয় কোষের প্রাচীর মজবুত করে এবং জ্বালা-পোড়া ভাবও কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।
কুমড়ার বিচি ত্বককে জীবন দেয়!
কুমড়ার বীচিতে থাকে জিংক যা ত্বকীয় কোষ পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। এরা ভিটামিন সি এর সাথে বিক্রিয়া করে কোলাজেনের মাত্রা ঠিক রাখে এবং কোষের প্রাচীর মজবুত করতে সাহায্য করে যা ত্বকের যত্নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সাইট্রাসযুক্ত ফল খান
এসকল ফলের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড পাওয়া যায় যা কোলাজেন প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। কোলাজেন অন্তঃকোষীয় টিস্যু, মাংসপেশির টিস্যু, রক্তনালী এবং অন্ত্রের গঠনে সাহায্য করে। ভিটামিন সি শরীরের ভেতরে থাকা খারাপ মুক্তমূলক থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এরা ত্বকের বয়স এবং বলিরেখা কমিয়ে রেখে ত্বকের যত্নে ভূমিকা রাখে। এরা শরীরের ক্ষত এবং দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।
গ্রীন টি পান করুন
এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে। গ্রিন টি-তে আরও থাকে ট্যানিস যা অ্যাসট্রিজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এরা ত্বকে বলিরেখা সারিয়ে তুলে ত্বকের যত্নে অপরিসীম ভূমিকা রাখে।
অ্যালমন্ড ত্বকের যত্নে কার্যকরী
অ্যালমন্ডের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই রয়েছে যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এরা ত্বকের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়।
অলিভ অয়েল-এর গুণ
এরা আপনার ভেতর ও বাহির দুই দিক থেকেই উপকারে আসে। অলিভ অয়েল-এর মধ্যে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুই ধরনের পদার্থই বিদ্যমান যা আপনার ত্বকের যত্নে উপকারী।
ব্রকলি খান নিয়মিত
ব্রকলিতে থাকে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই। এই দুই ভিটামিন সূর্যের সকল ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে ত্বকের যত্নে অংশ নেয়।
আটা ত্বকের বন্ধু
সাধারণত আটাতে থাকে সেলেনিয়াম যা আমাদের ত্বকের বাহ্যিক কোষগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এরা ত্বকের টিস্যুর স্থিতিস্থাপকতা এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি করে ত্বকের যত্নে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য
দুগ্ধজাত খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ভিটামিন-এ শরীরে বেটা ক্যারোটিনে বিশ্লেষিত হয়ে যায় যা ত্বকের সুস্থতা বৃদ্ধিতে ও ত্বকের যত্নে সরাসরি কাজ করে। এরা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে।
পর্যাপ্ত পানি খানপানির কথা বলতে হয় সবার আগে! পানি প্রায় সব রোগের “ফার্স্ট এইড” হিসেবে কাজ করে। এরা মুত্র ত্যাগের পরিমান স্বাভাবিক রেখে শরীরে বর্জ্য পদার্থ নিঃসরণে সাহায্য করে যা কিডনির জন্য খুবই উপকারী। ভালভাবে হাইড্রেটেড থাকা মানে আপনার শরীরের কোষে যথেষ্ট পরিমানে তরলের উপস্থিতি রয়েছে। ফলে আপনার ত্বক আরও সুস্থ ও মসৃণ হয় এবং আপনার প্রত্যেকটি অঙ্গ তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুসারে কাজ করে।
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment