Wednesday, April 18, 2018

দলের প্রথম জয়ে নিষ্প্রভ মুস্তাফিজুর

রঙিন ডেস্ক : দলের প্রথম জয়ে নিষ্প্রভ ছিলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।অথচ এর আগের তিন ম্যাচে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিলেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেও গত ম্যাচগুলোর মতো অসাধারণ কিছু প্রত্যাশা ছিল তার কাছ থেকে।কিন্তু তিনি হতাশ করছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং বাংলাদেশের সমর্থকদের।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাইয়ের শুরুটা ছিল হতাশার। প্রথম ওভারেই  টপঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। কিন্তু কে জানতো শেষদিকে আরও বড় রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে দলটির জন্য। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ১০৮ রানের জুটি গড়েন এভিন লুইস। ৪২ বলে ৬ চার  ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রানের ইনিংস খেলে দলের রানের চাকা সচল করে দিয়ে যান ক্যারিবীয় এ তারকা।
এরপর মুম্বাইকে টানতে থাকেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দলের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৯৪ রানের ইনিংসটি খেলেন তিনি। দল শেষপর্যন্ত জিতলেও মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ থেকে যায় মুম্বাইয়ের অধিনায়কের। ৫২ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় এ ইনিংসটি খেলেন রোহিত। এছাড়া ক্রুনাল পান্ডিয়া ১৫ ও হার্দিক পান্ডিয়ার অপরাজিত ১৭ রানের ইনিংস দলীয় সংগ্রহ বাড়াতে বেশ কাজে লেগেছে।
২১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল বেঙ্গালুরুর। কিন্তু দলীয় ৪০ থেকে ৫০ এ যেতেই কুইন্টন ডি কক ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো দুই গুরুত্বপূর্ন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলে তারা। বেঙ্গালুরুর ব্যর্থতার দিনে ব্যাট হাতে একাই আলো ছড়িয়েছেন কোহলি। শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকলেও  তার ৯২ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাকিদের মধ্যে আর কেউ বিষ এর কোটা ছাড়াতে পারেনি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থেমে যায় বেঙ্গালুরর ইনিংস।
বল হাতে আগের তিন ম্যাচে উইকেট পেলেও মুম্বাইয়ের হয়ে এই ম্যাচ নিষ্প্রভ ছিলেন মুস্তাফিজ। এছাড়া নিজের বোলিংয়ের বিপরীতে রান দেওয়ার ক্ষেত্রে ছিলেন বেহিসেবী। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে কোনো উইকেট ছাড়া ৫৫ রান দিয়েছেন মুস্তাফিজ। তার গতকালের বোলিং ইকোনমি ছিলো ১৩.৭৫। মুম্বাইয়ের হয়ে ক্রুনাল পান্ডিয়া ৩টি উইকেট পেয়েছেন। জাসপ্রিত বুমরা ও মিচেল ম্যাক্লেনাঘান পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।



No comments:

Post a Comment