Thursday, August 30, 2018

কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আরো পড়ুন: প্রশংসায় ভাসছে ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’


স্বামীর জন্য নিজের বিপদ ডেকে আনলেন ঐশ্বরিয়া!

এরপর ‘সর্বজিত’, ‘ফান্নে খান’-ও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করতে পারেনি। ‘ফান্নে খান’ মুক্তির পর বি টাউনের একাংশ মন্তব্য করতে শুরু করে, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের অভিনয়ের ধার আগের তুলনায় অনেকটা কমে গিয়েছে। বেশ কয়েকজন পরিচালকও ঐশ্বরিয়ার অভিনয় দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু রাই-এর সিনেমা কেন পর পর ফ্লপ করছেন, এর পিছনে আসল কারণ কী?
ফিল্মবিট-এর খবর অনুযায়ী, অভিষেক বচ্চনের পাশে থাকার জন্য, স্বামীর কেরিয়ার গ্রাফকে উপরে তোলার জন্য ঐশ্বরিয়া নাকি নানা ধরনের ঝুঁকি নিতে শুরু করেছেন। নিচ্ছেন ভুল সিদ্ধান্তও। যে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ দিয়ে বলিউডে পাকাপোক্ত জায়গা করে নেন ঐশ্বরিয়া, অভিষেকের জন্য নাকি সেই বনশালির সিনেমাতেও না করে দিয়েছেন রাই।

আরো পড়ুন: কার সঙ্গে চিরন্তন ভালবাসার বন্ধনে জড়িয়ে ঐশ্বরিয়া?

শোনা যাচ্ছে, ‘গুলাব জামুন’-এ অভিনয় করতে হলে, ঐশ্বরিয়াকে বনশালির প্রজেক্টে না করতে হত। ‘গুলাব জামুন’-এর সঙ্গে বনশালির সিনেমার শুটিং ডেট মিলে যাচ্ছিল। আর সেই কারণেই স্বামীর সঙ্গে অভিনয় করতেই সঞ্জয় লীলা বনশালিকে ‘না’ করে দেন রাই। প্রসঙ্গত, ‘রাবণ’-এর পর দীর্ঘ ৮ বছর পর অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে আবার স্ক্রিন শেয়ার করছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। আর সেই কারণেই সঞ্জয় লীলা বনশালির মত পরিচালককে সপাটে না করে দেন ঐশ্বরিয়া। যদিও বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনোরকমভাবেই মুখ খোলেননি রাই সুন্দরী।

নতুনদের সঙ্গে অভিনয়ে ভয় পান বিগ বি!

সম্প্রতি ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’র প্রেস কনফারেন্সে হাজির ছিলেন বিগ বি। সেখানেই উঠে আসে নতুনদের অভিনয়ের প্রসঙ্গ। মিস্টার বচ্চনের বক্তব্য, “আলিয়া, দীপিকা আর আনুশকা এতটাই বড়মাপের অভিনেত্রী যে ওদের সঙ্গে কাজ করতেই আমার ভয় হয়। একেবারে খেয়ে ফেলবে আমাকে ওরা। বছরের পর বছর ধরে আমরা আমাদের অভিনয় সত্ত্বাকে জাগিয়ে তুলেছি আমরা। আর এই বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলো যেন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার দিন থেকেই গোল সেট করে রেখেছে। ভীষণই পরিণত ওরা। সঙ্গে আত্মবিশ্বাসীও।”

আরো পড়ুন: বলিউডে পা রাখছেন শ্রীদেবীর ছোট মেয়ে খুশি!


রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

রঙিন ডেস্ক: রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা- মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার। পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস ! অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে !

রঙিন ডেস্ক: অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস ! হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি। এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

Wednesday, August 29, 2018

পিছিয়ে গেলো জয়ার প্রযোজনায় প্রথম সিনেমা ‘দেবী’

রঙিন ডেস্ক: বিগত দিনে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনব কৌশলে এমন প্রমোশন দেখেনি, যা দেখিয়ে যাচ্ছে মুক্তির প্রতীক্ষায় থাকা আলোচিত চলচ্চিত্র ‘দেবী’। অনম বিশ্বাস পরিচালিত সরকারি অনুদানে নির্মিত ছবিটির মাধ্যমে প্রথমবার প্রযোজনায় নাম লেখান অভিনেত্রী জয়া আহসান। আসছে সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও শেষ সময়ে এসে ছবিটি মুক্তি পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। কেন পিছিয়ে দেয়া হলো ছবি মুক্তির তারিখ? তার কারণ জানালেন প্রযোজক জয়া আহসান।
‘দেবী’র পোস্টার, টিজার আর ট্রেলার প্রকাশের পর পর ছবিটি নিয়ে সব শ্রেণির দর্শকের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। ছবিটি নিয়ে নিজেদের মুগ্ধতা আর প্রতীক্ষার কথা জানিয়েছেন কলকাতা ও ঢাকার তারকারাও। পোস্টার, টিজার প্রকাশের পর থেকেই ‘দেবী’ নিয়ে মানুষের মধ্যে যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা দেখা যাচ্ছিলো, তা যেনো আরো বাড়িয়ে দিয়েছে তারকাদের প্রমোশনাল ভিডিও ক্লিপগুলো। সবাই ছবিটি হলে গিয়ে দেখতে ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পিছিয়ে দেয়া হলো ছবি মুক্তির তারিখ।

আরো পড়ুন: ঈদের সপ্তমদিন ‘যে গল্পের শেষ নেই’

সবার কাছে ‘দেবী’র জন্য আরেকটি মাস সময় চেয়ে জয়া বলেন, ‘দেবী’ এখন শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, ‘দেবী’ আমার কাছে একটি সম্পদ। আমার শুভাকাঙ্খীদের জন্য আমার উপহার। আর এই উপহার শুভ দিনে শুভ ক্ষণেই দর্শকদের কাছে তুলে দিতে চাই আমি। হুমায়ূন আহমেদ এবং তার সৃষ্ট মিসির আলি, রানু, আনিস, নীলু, আহমেদ সাবেত চরিত্রগুলো বড় পর্দায় দেখবার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। আমি নিশ্চিত আপনারাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আপনাদের এই আগ্রহের প্রতি সম্মান রেখেই আরেকটি মাস আপনাদের কাছে চাইছি।
আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ‘দেবী’ মুক্তি দিবেন জানিয়ে জয়া আরো বলেন, ‘দেবী’ যেহেতু সরকারি অনুদান পেয়েছে, সবার আগে অনুদান কমিটি ছবিটি দেখবেন। আমাদের সেন্সর বোর্ডের বিজ্ঞ জুরিবোর্ড দেখবেন। তাদের মতামত পাবার পরপরই আমরা ‘দেবী’ আপনাদের কাছে তুলে দিতে পারবো। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বড় পর্দায় দেশের বড় বড় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পাবে ‘দেবী’।

দর্শকের অনুরোধে আবারো টিভি পর্দায় ‘আয়েশা’

ঈদের দিন থেকেই চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দেখা যায় ‘ভাই ব্রাদার এক্সপ্রেস’ ধামাকা! ঈদের দ্বিতীয় দিন দুই পর্বে প্রচার হয় ফারুকীর ‘আয়েশা’। এর মাধ্যমে অনেকদিন পর টিভিতে ফারুকীর কোনো নির্মাণ দেখার সৌভাগ্য হয় দর্শকের। কারণ এটি ছিল টেলিভিশনের জন্য তার আট বছর পর কোনো কাজ। আনিসুল হকের লেখা উপন্যাস ‘আয়েশামঙ্গল’ অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন টেলিফিল্ম ‘আয়েশা’ যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব শ্রেণির দর্শক।

আরো পড়ুন: ইউটিউবে সাড়া জাগিয়েছে ‘লাইফ পার্টনার’

এবারও তুমুল সাড়া ফেলেছে ‘কলুর বলদ ২’

নাটকটির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ঈদুল আজহাতেও নির্মিত হয় ‘কলুর বলদ’র সিক্যুয়াল ‘কলুর বলদ ২’। সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে এই নাটকটিও সাড়া ফেললো বেশ। সচরাচর সিক্যুয়ালের নাটক প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টি আলোচিত হতে তেমন দেখা যায়না। এমন বহু নজির রয়েছে। তবে ব্যতিক্রম দেখা গেল ‘কলুর বলদ ২’-তে। এবারও তুমুল সাড়া ফেলেছে প্রবাসীদের সুখ, দুঃখ, পারিবারিক টানাপড়েন, মায়ের মমতা এসবকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই নাটকটি।

আরো পড়ুন: ইউটিউবে সাড়া জাগিয়েছে ‘লাইফ পার্টনার’


বিয়ের দাওয়াত দিলেন মিথিলা!

আরো পড়ুন: আটকে থাকা ‘নোলক’ শেষ করছেন শাকিব খান


প্রশংসায় ভাসছে ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’

টেলিভিশনের পর্দায়তো বটেই, ‘ভাই ব্রাদার এক্সপ্রেস’-এর প্রতিটি কাজই প্রশংসা পেয়েছে অনলাইনেও। চ্যানেল আইয়ের ইউটিউবে দেয়ার পরে সব শ্রেণির দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য আদায় করে নিয়েছে সবগুলো কাজ। এরমধ্যে ফারুকীর ‘আয়েশা’ আলোচনার শীর্ষে। চারদিকে ‘আয়েশা’র জয়গান। দর্শকের অনুরোধে তুমুল প্রশংসিত ‘আয়েশা’ ফের চ্যানেল আইয়ে সম্প্রচারের সিদ্ধান্তও নিয়েছে চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগ। বুধবার দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে যা চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দেখানো হবে।

আরো পড়ুন: ১০০ কোটির ক্লাবে অক্ষয়ের ‘গোল্ড’

‘আয়েশা’র জয়গান যখন চারদিকে অব্যাহত তখন অনলাইনে প্রশংসার চূড়ান্তে মাহমুদুল ইসলামের পরিচালনায় নাটক ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’। কামরুজ্জামান কামু ও নাবিলার অনবদ্ধ অভিনয়ের প্রশংসা করছেন সকলে। নাটকটি চ্যানেল আইয়ের ইউটিউব থেকে সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন অনেক নামি দামি নির্মাতা, অভিনেতা। লাখ লাখ ভিউ না পেলেও এ নাটকটি যে জীবন বোধ সম্পন্ন মানুষের হৃদয় নাড়া দিয়ে যাবে এটা নিশ্চিত। অন্তত এমনটা মনে করছেন স্বয়ং ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’ নির্মাতা।
তারা প্রশংসা করছেন নাটকটির গল্পের, নির্মাণ শৈলীর এবং একজন মেকাপ ম্যানের চরিত্রে কামুর অনবদ্ধ অভিনয়ের। তারা বলছেন, ভাঁড়ামোর ভিড়ে ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’ নাটকটি যেন জীবন বোধের গল্প। যা ছুঁয়ে যাবে সব শ্রেণির মানুষকে। সৎ মেকাপ ম্যানের চরিত্রে নাবিলার যেরকম হওয়া দরকার ছিলো, তিনি যেন তার পুরোটাই দিয়ে অভিনয় করেছেন। এরআগে এতো নেচারাল অভিনয়ে নাবিলাকে খুব একটা দেখা যায়নি। মুকিত মজুমদারও অসাধারণ অভিনয়ের সাক্ষর রেখেছেন। তারও প্রশংসা করছেন অনলাইনের দর্শকরা। সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন

Tuesday, August 28, 2018

কেরালার বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচিত প্রিয়া

প্রিয়া সোশ্যাল সাইটে ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, “এই অর্থটা আমি আমার রাজ্যের স্বার্থে দিচ্ছি। কথার থেকে কাজ করাটাই বাঞ্ছনীয়। আপনারাও সামর্থ অনুযায়ী যতটা সম্ভব কেরালার মানুষদের জন্য দান করুন। এটা কোনো পাবলিসিটি নয়। আমি এই টাকাটা শুধুমাত্র মানুষকে সচেতন করার জন্য দিচ্ছি। যাতে সেই টাকাটা তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে। প্রশংসা না করুন দয়া করে সমালোচনাও করবেন না।”

আরো পড়ুন: সুশান্ত-কৃতির সম্পর্কে ভাঙনের সুর!

প্রিয়া অনুরোধ জানালেও তিনি তার অনুদানের অর্থ প্রকাশ্যে আনার জন্য নেটিজেনদের কাছে সমালোচিত হন। অনেকেই লেখেন, আপনি কী পরিমান টাকা দিচ্ছেন এটা লোকজনকে জানানোর কোনো প্রয়োজন নেই। আর তিনি যদি পাবলিসিটি না চাইবেন তাহলে এই অনুদানের কথা জানানোর প্রয়োজন নেই। তবে শুধু প্রিয়াই নন, মোহনলালসহ একাধিক মালায়লাম ছবির তারকা কেরালার জন্য দান করেছেন।

এক হাসপাতালের সব নার্স অন্ত:সত্ত্বা!

আরো পড়ুন:- কাক দিয়ে পার্কের ময়লা পরিষ্কার!

সূত্র : সিএনএন

আজ দুখুমিয়ার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের তরঙ্গকে নজরুল তার সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন। সেই সময়ে ধর্মান্ধ মুসলমানদের প্রতি তিনি পুনর্জাগরণের ডাক দিয়েছেন এবং এক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল একজন বলিষ্ঠ নেতার মতো। বাংলা সাহিত্য-সংগীত তথা সংস্কৃতিরি একজন পুরোধা পুরুষ তিনি। তবে, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তার লেখনী ধূমকেতুর মতো আঘাত হেনে জাগিয়ে দিয়েছিল ভারতবাসীকে। তিনি পরিণত হন বিদ্রোহের কবিতে। আজও তার নানা ধরনের লেখার মাঝ থেকে বিদ্রোহের পংক্তিমালা বাঙালির হূদয়ে অনাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডংকা বাজিয়ে চলে। তার কবিতা ‘চ্ল চল্ চল’ বাংলাদেশের রণসংগীত।
কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে ছিলেন কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিণী সৃষ্টি করে বাংলা সংগীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তার লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলেছে।

আরো পড়ুন: এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির আবেদন শুরু

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন। ১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশ সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন এবং জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। তার জীবনকাল ৭৮ বছর হলেও ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দীর্ঘ ৩৪ বছর তিনি অসহনীয় নির্বাক জীবন কাটিয়েছেন।
জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করে।জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নজরুল ইনস্টিটিউট ‘নজরুল পদক-২০১৭’ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এবার নজরুল সংগীতে নজরুল পদক দেওয়া হচ্ছে শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল ও নজরুল-সংগীত গবেষণায় অধ্যাপক ড. রশিদুন নবীকে। আজ সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

ইউটিউবে সাড়া জাগিয়েছে ‘লাইফ পার্টনার’

http://www.rongginn.com/life-partner-eid-natok-niloy-prova/

আরো পড়ুন: এবার দ্রৌপদী হয়ে মঞ্চে আসবেন চুমকি

আটকে থাকা ‘নোলক’ শেষ করছেন শাকিব খান

আরো পড়ুন: ‘নেয়ামত সাহেবের নতুন বৌ’

পরবর্তীতে বিষয়টির সুরহা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সাকিব সনেট বলেন, আমি চারবার পরিচালক সমিতিতে গিয়েছিলাম। এ ব্যাপারে বিস্তারিত কথাবার্তা হয়েছে। সমিতির সদস্যরা মিটিংয়ে বসবেন বলেছিলেন। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে বসেননি। শুটিং করবো এটা পরিচালক সমিতি অবগত। এখন আমি তো কাজ বাদ দিয়ে বসে থাকতে পারিনা! এতে আরও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বো। সেজন্য আমি কাজ শুরু করতে যাচ্ছি।

Monday, August 27, 2018

‘পাতলা খান লেনে বাঘ আসিয়াছিলো’

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, একটি গলির নাম পাতলা খান লেন। এই গলির ৪ তলা বাড়িতে ভাড়া থাকে চারটি পরিবার। এরমধ্যে নিচতলায় পরিবার নিয়ে থাকেন লিটন। দ্বিতীয় তলায় স্বপ্না এবং তার পরিবার। ৪র্থ তলায় থাকেন আলিম আর তার স্ত্রী উর্মি। আলিম কামরাঙ্গির চরের স্থানীয়। কিন্তু মা আর বোনের সঙ্গে তার স্ত্রীর বনিবনা না হওয়াতে সে এখানে ভাড়া থাকেন।

আরো পড়ুন: পোস্টারে নজর কাড়লেন ‘ভিলেন’ অঙ্কুশ

Friday, August 17, 2018

বুড়ো হতে না চাইলে নিয়মিত খেতে হবে এই ১২টি খাবার

রঙিন ডেস্ক: পরিসংখ্যান বলছে আমেরিকায় বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ সংক্রান্ত গবেষণায় বিনিয়োগের মাত্রা ছাড়িয়েছে ৮ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। এ থেকেই প্রমাণ হয়ে যায় যে, বুড়ো হতে চায় না এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। আপনিও যদি তাদেরই একজন হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিনি এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খাওয়া শুরু করলে ত্বকের বয়স তো কমবেই, সেই সঙ্গে জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো।
প্রসঙ্গত, এই খাবারগুলি খেলে কিন্তু বাস্তবিকই বয়স ধরে রাখা সম্ভব। কথাটা শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না নিশ্চয়? ভাবছেন খাবারের সঙ্গে বয়সের কী সম্পর্ক, তাই তো! আসলে বেশ কিছু খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেমন ধরুন নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বয়স তো কমায়, সেই সঙ্গে শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু বাড়তে সময় লাগে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী খাবারের মধ্যে শরীরের বয়স কমানোর ক্ষমতা রয়েছে…

১. দই
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স কমে চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।


২. অলিভ অয়েল
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটে ভরপুর এই তেলটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি বয়সজনিত নানা অসুবিধা কমাতেও দারুন কাজে আসে।


৩. জাম
এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা বয়স বাড়ার গতিকে আটকায়। শুধু তাই নয়, ক্র্যানবেরি, স্ট্রবেরি এবং অবশ্যই ব্ল্যাক বেরি শরীরের সার্বিক গঠনের উন্নতি ঘটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন যদি এই ফলটা খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের ভাঙন রোধ হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে শুরু করে।


৪. বাদাম
শরীরকে ভাল রাখতে উপকারি ফ্যাটেরও প্রয়োজন পড়ে। তাই প্রতিদিন বাদাম খান মুঠো ভরে। এতে উপকারি ফ্যাটের পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে দারুন কাজে আসে।


৫. সবুজ শাকসবজি
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কপি পাতা এবং পালং শাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


৬. শস্যদানা
ঝাড়াই করা শস্য দানার পরিবর্তে যদি হোল গ্রেন খাওয়া যায়, তাহলে বয়স বাড়ার হার অনেকটাই হ্রাস পায়। শুধু তাই নয় এই ধরনের খাবার বয়সজনিত নানা রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমায়, বিশেষত হার্টের রোগ হওয়ার পথ আটকায়। প্রসঙ্গত, আস্ত শস্যদানায় মিনারেল, ভিটামিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফলে দেহের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হতেও সময় লাগে না।


৭. আঙুর
রেজভারেটল নামে একটি যৌগ রয়েছে এই ফলটিতে, যা একাধারে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি- কোয়াগুলেন্ট। এই উপাদান দুটি হার্টকে ভালো রাখে। আর যেমনটা আগেও বলা হয়েছে যে শরীর তখনই চাঙ্গা থাকে, যখন হার্ট সুস্থ থাকে। তাই সুস্থ, রোগমুক্ত শরীরের অধিকারি হয়ে উঠতে প্রতিদিন একবাটি করে আঙুর খাওয়া মাস্ট!


৮.মটরশুঁটি
হার্টকে নানা ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মটরশুঁটির কোনো বিকল্প নেই। তাই আপনি যদি দীর্ঘদিন জোয়ান থাকতে চান, তাহলে হার্টকে সুস্থ রাখতেই হবে। তাহলেই দেখবেন শরীরের বয়স কমতে থাকবে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই খাবারটি।


৯. গ্রিন টি
প্রতিদিন এক কাপ করে গ্রিন টি পান করলে শরীরে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে। আর যেমনটা আমাদের সকলেই জানা যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, এমনকি অ্যালঝাইমার রোগ আটকাতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।


১০. টমেটো
লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে টমেটোতে, যা ত্বকের বয়স কমায়। শুধু তাই নয়, স্টমাক, লাং এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে প্রতিরোধ করতেও এই সবজিটি দারুন কাজে আসে।


১১. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার
শরীরের বয়স কমাতে এই উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই দেহকে রোগমুক্ত রাখার পাশাপাশি শরীর এবং ত্বকের বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে মটরশুঁটি, ডাল, ব্রকলি, ছোলা, অ্যাভোকাডো এবং ওটমিলের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন!


১২. মাছ
যেমনটা আমরা সকলেই জানি যে মাছে রয়েছে ওমেগা-ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানটি শরীরের অন্দরে যে কোনও ধরনের প্রদাহ কমাতে দারুন কাজে আসে। ফলে শরীরের বয়স বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই সপ্তাহে দুবার অন্তত মাছ খান। এমনটা করলে দেখবেন স্ট্রোক এবং অ্যালঝাইমারের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমবে। ফলে বাড়বে আয়ু।