rongginnbd
Monday, October 30, 2017
লাহোরে গিয়েও শ্রীলঙ্কার হার
রঙিন ডেস্ক :
দীর্ঘ ৮ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে সেই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের পা পড়লো। যে দলের ওপর ২০০৯ সালে এই পাকিস্তানেই ভয়ঙ্কর হামলা চালিয়েছিলো সন্ত্রাসীরা। তবে সেই লাহোরে এত বছর পর গিয়েও জয় পায়নি লঙ্কানরা। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তাদের হোয়াইটওয়াশ করলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানদের ৩৬ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।
২০০৯ সালে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিল লঙ্কানদের বহনকারী টিম বাস। যদিও নিরাপত্তাহীনতার কথা চিন্তা করে এই সফর থেকে তারকা ক্রিকেটাররা আগেই নাম প্রত্যাহার করে নেন। শেষ পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় সুষ্ঠুভাবে হয়েছে দুই দেশের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি। যেখানে দারুণ জয় পেয়েছে পাকিস্তান। মোহাম্মদ আমিরের পেসে ৩৬ রানে জিতে ৩-০ তে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করেছে তারা।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের এই ঐতিহাসিক ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় শ্রীলঙ্কা। ফখর জামানের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে উমর আমিন ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানকে দারুণ শুরু এনে দেন। দলীয় ৫৭ রানে দিলশান মুনায়িরার বলে ভাঙে এই জুটি, ফখর করেন ৩১ রান। আহমেদ শেহজাদের বদলে দলে আসা উমর আমিন হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৪৫ রানে ইসুরু উদানার শিকার হন এই ওপেনার।
দেশের মাটিতে শোয়েব মালিক এরপর বাবর আজমকে নিয়ে ৭৫ রানের শক্ত জুটি গড়েন। এর আগে ২৩ বলে টি-টোয়েন্টির ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মালিক। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পরের বলেই আউট হন তিনি, করেন ২৪ বলে ৫১ রান। বাবর অপরাজিত ছিলেন ৩৪ রানে। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮০ রান করে পাকিস্তান।
১৮১ রানের লক্ষ্যে নেমে আমিরের বোলিং তোপে টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে শ্রীলঙ্কা। মাত্র ২১ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। ওই ধাক্কা আর সামাল দিতে পারেনি সফরকারীরা। দাশুন সানাকা ৫৪ রানের সেরা ইনিংস খেলেন। মাহেলা উদাবাত্তে ও চতুরাঙ্গা ডি সিলভার সঙ্গে ৩৬ ও ৩৯ রানের দুটি মান বাঁচানো জুটি গড়েন তিনি।
আমির ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। দুটি পেয়েছেন ফাহিম আশরাফ।
দুটি টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। এরপর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টির সবগুলো জিতলো তারা।
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment