rongginnbd
Monday, October 30, 2017
শেষ ম্যাচেও বাংলাদেশের করুণ হার
রঙিন ডেস্ক :
জয় দিয়ে সফর শেষ করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। কিন্তু হাশিম আমলা ও ডেভিট মিলারের ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে করুণভাবে হারতে হলো ম্যাচটিতে। দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৮৩ রানে হেরে সফর শেষ করলো মুশফিক-মাশরাফি-সাকিবরা।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার সেনওয়াস পার্ক স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ ওভার ৩ বলে ১৪১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২১ রান এবং নিজের ৬ রানের মাথায় মোসেলের বলে রান আউটের শিকার হন ওপেনার ইমরুল কায়েস। তাকে রান আউট করেন ডি ভিলিয়ার্স। ইমরুল ফেরার পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক সাকিব। তবে ব্যক্তিগত ২ রানে ফেরেন সাকিব। তাকে বোল্ড করেন ডুমিনি। এরপর সৌম্যর সঙ্গে যোগ দেন মুশফিকুর রহিম। তবে তিনিও ব্যক্তিগত ২ রানেই ফ্রাইলিঙ্কের বলে মোসেলের তালুবন্দি হন। দলে চাপ ক্রমে বাড়ছে।
মুশফিক ফেরার পর সৌম্যর সঙ্গে যোগ দেন সাব্বির রহমান। তারও একই অব্স্থা। ব্যক্তিগত মাত্র ৫ রানের মাথায় ডুমিনির বলে হ্যান্ড্রিক্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে দলের চার আরো বাড়িয়ে বিদায় হন সাব্বির।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট হাতে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন সৌম্য সরাকার এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে নিজের মাত্র ৪৪ রানেই বিদায় হন সৌম্য। দলীয় ৭২ রান এবং নিজের ৪৪ রানে সৌম্যকে ফেরান ফাঙ্গিসো। তার বলে হ্যান্ড্রিক্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি।
এরপর মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন লিটন দাস। দলীয় ৯৩ রান এবং ব্যক্তিগত ৯ রানে প্রিটোরিয়াসের বলে ফ্রাইলিঙ্কের হাতে ধরা পড়েন এ ব্যাটসম্যান।
লিটন ফেরার পর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দেন সাইফু্দ্দিন। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রানে মাহমুদউল্লাহও ফেরেন। ফাঙ্গিসোর বলে মোসেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মাহমুদউল্লাহ।
এরপর সাইফুদ্দিনের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু সাইফুদ্দিনের সঙ্গে থাকা হলো না তার। দলীয় ১৩০ এবং নিজের ১৩ রানের মাথায় পেহলুকওয়ের শিকার হয়ে ফেরেন মিরাজ।
মিরাজ ফেরার পর সাইফুদ্দিনকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন তাসকিন আহমেদ। তবে ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানে রান আউটের শিকার হন তাসকিন। পেহলুকওয়ের বলে মোসেলে তাসকিনকে রান আউট করেন।
এরপর ক্রিজে আসেন রুবেল হোসেন। তিনি ১ রানে অপরাজিত থাকতেই ১৮ ওভার ৩ বলে দলীয় মাত্র ১৪১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ২৩ রানে হ্যান্ড্রিক্সের বলে আমলার হাতে ধরা পড়েন সাইফুদ্দিন। ফলে শেষ ম্যাচে ৮৩ রানে হেরে গেলে বাংলাদেশ।
এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়া শিবিরে শুরুতেই জোড়া আঘাত করেন অধিনাক সাকিব আল হাসান। দলীয় ২৩ রান এবং নিজের মাত্র ৫ রানে ওপেনার মাঙ্গালিসো মোসেলেকে বোল্ড করে ফেরান সাকিব।
মোসেলে ফেরার পর আমলার সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন ডুমিনি। তাকেও ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরান সাকিব। এরপর ক্রিজে আমলার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। ডি ভিলিয়াসর্কে দলীয় ৭৮ রান এবং ব্যক্তিগত ২০ রানে ফেরান সাইফুদ্দিন। সাইফুদ্দিনের বলে ইমরুল কায়েসের হাতে ধরা পড়ে বিদায় হন তিনি।
এরপর আমলার সঙ্গে ক্রিজে আসেন ডেভিড মিলার। তবে তাকে ক্রিজে রেখেই ফিরে যান আমলা। দলীয় ১৫৭ এবং ব্যক্তিগত ৮৫ রানে সাইফুদ্দিনের বলে সৌম্যর হাতে ধরা পড়ে আউট হন আমলা।
ডি ভিলিয়ার্সের পর হাশিম আমলাকেও সাজঘরে পাঠালেন সাইফুদ্দিন। দলীয় ১৫৭ রান এবং নিজের ৮৫ রানের মাথায় সাইফুদ্দিনের বলে সৌম্যর তালুবন্দি হন আমলা।
আমলা ফেরার পর মিলারের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন ফারহান বেহার্ডেইন। মিলার ১০১ এবং বেহার্ডেইন ৬ রান করে অপরাজিত থাকতেই নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষ হয়।
No comments:
Post a Comment
Newer Post
Older Post
Home
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment