Friday, January 12, 2018

প্রধানমন্ত্রী হবেন বিদ্যা!

মুম্বাই মিররের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ পর্যন্ত ছয়টি জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র প্রস্তাব করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু সবগুলোই তিনি বিনয়ের সঙ্গে না করে দিয়েছেন। ২০১৪ সালে ভারতের জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রীকে প্রস্তাব করা বায়োপিকগুলোর চরিত্রগুলোও কিন্তু একেবারে ফেলে দেয়ার মতো নয়। বায়োপিকের তালিকায় রয়েছে লীনা যাদবের পরিচালনায় মিনা কুমারীর জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র, সোহাম শাহয়ের পরিচালনায় কিরণ বেদির জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র, সম্প্রতি অভিষেক হওয়া পরিচালকের পরিচালনায় পদ্মভূষণজয়ী বেগম আক্তারের জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র।
বায়োপিকে অভিনয় করতে চান বিদ্যা, তবে তা অসাধারণ কোনো ব্যক্তির। বায়োপিকের চরিত্র হিসেবে বিদ্যার প্রথম পছন্দ ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এ কারণেই সম্প্রতি সাংবাদিক-লেখক সাগরিকা ঘোষের লেখা ইন্দিরা গান্ধীর জীবনীমূলক বই ‘ইন্দিরা : ইন্ডিয়াস মোস্ট পাওয়ারফুল প্রাইম মিনিস্টার’-এর স্বত্ব কিনে নিয়েছেন। ভবিষ্যতে এই বইটির ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যার। যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও দেখা যাবে বিদ্যাকে।
এ প্রসঙ্গে মিররকে বিদ্যা বলেন, ‘সাগরিকা ঘোষের বইটির স্বত্ব কিনতে পেরে আমি খুশি, কারণ আমি সব সময় ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করতে চাইতাম। ছবিটির খুঁটিনাটি নিয়ে আমি এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়ের প্রয়োজন। অন্যদিকে বইটির লেখক সাগরিকা বলেন, ‘ইন্দিরা গান্ধী হিসেবে পর্দায় বিদ্যাকে দারুণ মানাবে।’
বইটিতে উঠে এসেছে ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থার সময় গান্ধীর ভূমিকা, দাম্পত্য সম্পর্কে দ্বন্দ্ব, ছেলে সঞ্জয়ের আলোচিত সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক যুদ্ধ। তবে ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে ছবি নির্মাণের উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৪ সালে গান্ধীকে নিয়ে ছবি নির্মাণ করেছিলেন জব্বার প্যাটেল। যেখানে সুপ্রিয়া বিনোদ ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া মধুকর ভান্ডারের পরিচালনায় বিতর্কিত পলিটিক্যাল ড্রামা ‘ইন্দু সরকার’-এর কাহিনীও নেয়া হয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীর জীবনী থেকে।


No comments:

Post a Comment