Tuesday, February 13, 2018

পিকনিকে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা

রঙিন ডেস্ক : পিকনিক করছে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। পূর্বাচলের একটি রিসোর্টে এই পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় টিম হোটেল সোনারগাঁও থেকে পূর্বাচলের ওই রিসোর্টে পৌঁছে যায় জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সেখানে সারাদিন হাসি-আনন্দ এবং খাওয়া-দাওয়া শেষে বিকাল ৪টায় মিরপুর শেরেবাংলায় গিয়ে অনুশীলনে যোগ দেবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং শ্রীলঙ্কার সাথে টেস্ট সিরিজ হারার হতাশা কাটাতেই এই পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছে।তিনটি সিরিজ জেতার আশা নিয়ে বাংলাদেশ শুরু করে। ত্রিদেশীয় সিরিজে উড়ন্ত সূচনাও হয়েছিল জিম্বাবুয়ে আর শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে; কিন্তু হঠাৎ করেই ছন্দপতন। ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে টানা পরাজয়। যার অর্থ, ফাইনালেও হার। শ্রীলঙ্কার কাছে ফাইনালে হেরে শিরোপা জেতা হলো না আর টাইগারদের। এরপর ভাবনা ছিল, ঘরের মাঠে যেহেতু সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া মত দলের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ, সুতরাং শ্রীলঙ্কা আর এমন কী প্রতিপক্ষ যে, তাদের বিপক্ষে জেতা যাবে না!
তাতেও হতাশ ছিল না টিম বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় লঙ্কানদের ধ্বসিয়ে দেয়ার মানসিকতা নিয়েই খেলতে নেমেছিল টাইগাররা। হা রে রে… করে লঙ্কানদের ওপর হামলে পড়ারও লক্ষ্মণ ছিল; কিন্তু চট্টগ্রামে শেষ মুহূর্তে মুমিনুল আর লিটন কুমার দাসের সাহসিকতায় কোনমতে টেস্ট বাঁচানো গেলেও ঢাকায় আর পারা যায়নি। বরং, উল্টো নিজেদের খোঁড়া গর্তেই লঙ্কানরা উল্টো হামলে পড়েছে টাইগারদের ওপর। তাতে মাত্র আড়াই দিনেই কুপোকাত। পরাজয় ২১৫ রানের বিশাল ব্যবধানে।
এতটা বিপর্যয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা। পারেনি দলের ক্রিকেটাররাও। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তারা। একদিন পরই আবার লঙ্কানদের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার জন্য। সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের এই ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আগে নিজেদের মানসিক অবসাদ দুর করা প্রয়োজন।


No comments:

Post a Comment